পকিস্তান, ইন্দোনেসিয়া, তুরস্ক, কাতার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যৌথ গবেষণা ও কারিগরি প্রশিক্ষণে সহযোগিতার লক্ষ্যে "বদর জোট" গঠন।
১. জোটের নাম ও অংশীদার দেশসমূহ
নিম্নলিখিত চার (৪)টি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে এক ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হলো: ১. ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান ২. গণপ্রজাতন্ত্রী ইন্দোনেশিয়া ৩. তুরস্ক প্রজাতন্ত্র ৪. কাতার রাষ্ট্র
উপরে উল্লিখিত রাষ্ট্রসমূহ যৌথভাবে "বদর জোট" (Badar Alliance) নামে অভিহিত হবে।
২. জোটের মূল উদ্দেশ্য (Objectives)
"বদর জোট"-এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো:
১) যৌথ অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি (Joint Arms Production): অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর যৌথ উদ্যাগে সর্বাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও অস্ত্রশস্ত্র নকশা করা, তৈরি করা এবং উৎপাদন বাড়ানো।
২) সামরিক গবেষণা ও উন্নয়ন (Military Research & Development): প্রতিরক্ষা খাতে প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে যৌথ গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন এবং নতুন সামরিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন।
৩) কারিগরি ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ (Technical Training & Knowledge Sharing): চার দেশের সামরিক ও কারিগরি কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত যৌথ প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও শিক্ষা কর্মসূচির আয়োজন করা।
৩. সাধারণ নীতিমালা ও সহযোগিতা ব্যবস্থা
সমন্বয় কমিটি: জোটের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চার দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি ‘যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি’ গঠন করা হবে।
সম্পদের ব্যবহার: প্রতিটি দেশ তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিগত দক্ষতা, অর্থায়ন ও লজিস্টিক সহায়তা জোটের সম্মিলিত উন্নয়নের জন্য ভাগাভাগি করবে।
গোপনীয়তা: যৌথ গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য বা তৈরি সরঞ্জাম জোটের বাইরের কোনো রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে চার দেশেরই সর্বসম্মত সম্মতির প্রয়োজন হবে।
৪. কার্যকর হওয়ার তারিখ
এই সমঝোতা স্মারকটি চার দেশের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর গ্রহণের দিন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর বলে গণ্য হবে।
স্বাক্ষর প্রদানকারী প্রতিনিধিবৃন্দ:
ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান
গণপ্রজাতন্ত্রী ইন্দোনেশিয়া
তুরস্ক প্রজাতন্ত্র
কাতার রাষ্ট্র

0 Comments