ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ, ফলাফলে পরাজিত দেলাওয়ার হোসেন

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ, ফলাফলে পরাজিত দেলাওয়ার হোসেন






 ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, ভোট কারচুপি এবং পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। জোটটির দাবি, তাদের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনে হারানো হয়েছে।



বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ) ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) পান ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও অনিয়মের অভিযোগ:

  • অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ: ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রধান নির্বাচনি এজেন্টদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে চারজন কর্মী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • বিক্ষোভের ডাক: ফল ঘোষণার পর নির্বাচনে সুনির্দিষ্ট অনিয়ম ও কারচুপির প্রতিবাদে এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।

  • ভোটের পরিসংখ্যান: ১৮৫টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। মোট ভোট সংগৃহীত হয়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১২৩টি (৬৪.৭৭%), যার মধ্যে ৫ হাজার ৩০৮টি ভোট বাতিল বলে গণ্য করা হয়।

  • আসন শূন্য হওয়ার প্রেক্ষাপট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জয়ী হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ নেওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষিত হয় এবং উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

Post a Comment

0 Comments