ঘটনার বিবরণ:
সূত্রপাত: বিএসএফের ৪৯তম ব্যাটালিয়নের সদস্যরা আশাবাড়ি সীমান্ত চৌকি এলাকায় জঙ্গল পরিষ্কারের কাজ করার সময় চোরাচালানের সন্দেহে হেফজুর রহমান নামের এক স্থানীয় অধিবাসীকে আটক করে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আটকের পর বিএসএফ সদস্যরা তাকে প্রচণ্ড মারধর করেন।
সড়ক অবরোধ ও হামলা: এই মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা আশাবাড়ি-রহিমপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। ওই সময় ঘটনাস্থলে বিএসএফের একটি গাড়ি পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা লাঠি ও বাঁশ নিয়ে গাড়িতে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট রোহিত কুমার, চালক সুনীল কুমার এবং জওয়ান মনজিতের ওপর হামলা চালায়।
ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার: হামলায় বিএসএফ সদস্যরা রক্তাক্ত হন এবং তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী হামলাকারীরা এক পর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশ ও অতিরিক্ত বিএসএফ সদস্য গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের আগরতলার ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে।
এই ঘটনায় পুলিশ মামলা দায়ের করে ৩ জন নারীসহ অন্তত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ঘটনাটিকে অত্যন্ত নিন্দনীয় আখ্যা দিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

0 Comments